Health Tips
Post #21
Naim376|
Elite User

13/06/2013 22:06:04
(334 weeks ago)
Ratio: 1.33
Posts: 1937
Bangladesh  
ঘরোয়া সুরক্ষার ১২টি টিপস

১. আসবাবপত্রের ময়লা ধুলা প্রতিদিন ঝাঁড় পোছ করে পরিষ্কার করে রাখুন।

২. প্রতিদিনকার ময়লা কাপড়-চোপড় ছড়িয়ে ছিটিয়ে না রেখে একটা ঝুড়িতে জমা করুন। ধোয়ার পর ইস্ত্রি কর তুলে রাখুন জায়গা মতো।

৩. চাদর, বালিশের কভার, সোফা কভার সপ্তাহে একবার অবশ্যই বদলাবেন। প্রত্যেক সপ্তাহে অথবা পনেরো দিন অন্তর ঘরের পাখা পরিষ্কার করবেন।

৪. দরজা, জানালা, জানালার কাঁচ, শিক, দরজার হাতল পরিষ্কার করুন।

৫. মোজাইক করা মেঝে মোছার সময় পানিতে কয়েক ফোঁটা কেরোসিন তেল ঢেলে মুছলে মেঝে চকচক করবে।

৬. মেঝেতে টাইলস থাকলে অল্প ব্লিচিং পাউডার দিয়ে নাইলন ব্রাশ দিয়ে রগড়ালে মেঝে পরিষ্কার হবে। এবার পানিতে জীবাণুনাশক মিশিয়ে শুকনো করে মেঝে মুছে নিন।

৭. গরম পানিতে একটা লেবু ফেলে দিয়ে সেই মিশ্রণ দিয়ে কাঁচ অথবা ছুরি চামচ পরিষ্কার করলে চকচকে হয়ে উঠবে।

৮. জামায় কাদা লাগলে শুকাতে দিন। ডিটারজেন্ট মেশানো পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন।

৯. বাড়িতে কারো অসুখ হলে বিশেষত সংক্রামক অসুখ হলে নিতে হবে বাড়তি সতর্কতা। রোগীকে আলাদা ঘরে, এমনকি প্রয়োজনে মশারির ভেতর রাখতে হবে। রোগীর ঘর খোলামেলা হওয়া বাঞ্চনীয়। রোগীর ঘরের দরজা জানালা, মেঝে পরিষ্কার রাখতে হবে এবং জীবাণুনাশক দ্বারা মুছে দিতে হবে।

১০. রোগীর কাপড়-চোপড় আলাদা রাখতে হবে। ডিটারজেন্ট পানিতে সিদ্ধ করে কেঁচে কড়া রোদে শুকাতে হবে।

১১. নিজের পরিধেয় কাপড়-চোপড় পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। অন্যের পরিধেয় কাপড় না ধুয়ে ব্যবহার করা যাবে না। চিরুনি, চুলের ব্রাশ, তোয়ালে একাধিক জন ব্যবহার করলে খুশকী, জীবাণু ও চর্মরোগ সংক্রমিত হতে পারে।

১২. ঋতুস্রাবের সময় মহিলাদের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বিশেষ প্রয়োজন। এক্ষেত্রে স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার সবচেয়ে নিরাপদ। এ সময় অন্যান্য কাপড় চোপড় কেঁচে জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে নিবেন।
top

Post #22
Naim376|
Elite User

13/06/2013 22:06:35
(334 weeks ago)
Ratio: 1.33
Posts: 1937
Bangladesh  
গরম থেকে জ্বর সর্দি কাশি জন্ডিস টাইফয়েড

দেশজুড়ে বইছে তাপদাহ। অসহনীয় গরম আর বিদ্যুতের লোডশেডিং দুর্বিষহ করে লেছে জনজীবন। মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে নানা অসুখ ও অসুস্থতায়। আসুন জেনে নিই তীব্র গরমের কারণে সৃষ্ট এমনই কিছু অসুখ ও অসুস্থতার সতর্কতা এবং করণীয়। পোষ্টটি শেয়ার করে বন্ধুদেরও অসুস্থতা থেকে রক্ষা করুন।

১. আমাদের দেশে ৩৬-৩৭ ডিগ্রি তাপমাত্রাতেই হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়া ছাড়াও রক্তচাপ কমে যাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস বাধাগ্রস্ত, প্রচণ্ড ঘাম, জন্ডিস, মাথাব্যথা, জ্বর ও ডায়রিয়াসহ নানা জটিলতাও হিটস্ট্রোকের কারণ। হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীকে ঠাণ্ডা স্থানে রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে শরীর মুছে দিতে হবে। বিশুদ্ধ পানি পান, বিশুদ্ধ খাবার গ্রহণ ও চলাফেরায় সতর্ক থাকতে হবে। রোদ পরিহার করতে হবে।

২. নানা ধরনের ভাইরাসজনিত জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। সঙ্গে দেখা দিচ্ছে সর্দি ও কাশি। বিশেষ করে প্রচণ্ড গরমে রাস্তায় বিক্রি হওয়া শরবত বা খোলা ফলমূল খেতে গিয়ে মুখ দিয়ে পানিবাহিত নানা জীবাণু ঢুকে যাচ্ছে পেটে। দেখা দিচ্ছে পানিবাহিত টাইফয়েড ও জন্ডিস। শরীরের তাপমাত্রা ১০১-১০৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত উঠতে পারে। মাথাব্যথা হতে পারে। এ অবস্থায় শরীর ভিজা কাপড় দিয়ে বারবার মুছে দিতে হবে। মাথায় পানি দিতে হবে। প্রচুর আলো-বাতাস ঢোকে এমন ঘরে রোগীকে পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে। বেশি করে খাবার স্যালাইন ও ডাবের পানিসহ তরল খাদ্য ও পানি খাওয়াতে হবে। প্যারাসিটামল সেবন করা যেতে পারে, তবে কিছুতেই অ্যান্টিবায়োটিক নয়।

৩. জ্বরে আক্রান্ত শিশুদেরও পানি বা তরল খাবার খাওয়াতে হবে। ‘কুসুম গরম’ পানিতে নরম কাপড় ভিজিয়ে শরীর মোছাতে হবে। মৌসুমি ফল খাওয়ানো ভালো। শিশু স্বাভাবিক প্রস্রাব করছে কি না খেয়াল রাখতে হবে। ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা প্রস্রাব না করলে অবশ্যই চিকিত্সকের কাছে নিতে হবে।

৪. থেমে থেমে বা হঠাৎ বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে থাকছে। সেই পানিতে ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এডিস মশা ডিম পাড়ছে ও বংশবিস্তার করছে। ফলে এডিস মশার কামড়ে অসময়েই ডেঙ্গু দেখা দিয়েছে। এ সময় অবশ্যই বাড়িঘর, উঠান বা তার আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কোনোভাবেই যেন জমা পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করতে না পারে।

৫. সর্দিজ্বর ছোঁয়াচে। তাই রোগীর ব্যবহূত রুমাল বা গামছা অন্য কেউ ব্যবহার করা উচিত নয়। এ সময় হাঁচি ও কাশি হয়, নাক দিয়ে পানি পড়ে। গায়ে ব্যথা, শীতবোধ, মানসিক অস্থিরতা, কাশি, হাত-পা চাবানো, চোখ ও নাকে লাল বর্ণ দেখা দিতে পারে। রোগীদের অবশ্যই ঠাণ্ডা লাগানো ও ঠাণ্ডা খাবার খাওয়ানো যাবে না। ধুলোবালি এড়িয়ে চলতে হবে। আর কাশি হলে দু-একদিন হালকা গরম পানিতে গড়গড়া করা যেতে পারে। সঙ্গে নাক-গলা বন্ধ হয়ে গেলে ফুটন্ত পানির বাষ্প নিলে আরামবোধ হবে।

৬. জলবসন্তেরও প্রকপ দেখা যাচ্ছে। জ্বর থেকে প্রথমে বুকে ও পেটে, পরে পুরো শরীরে ছোট ছোট সাদা পানির ফোসকা দেখা দিতে পারে। পরে তা লাল হয় ও কালচে হয়ে শুকিয়ে যায়। মনে রাখতে হবে, জলবসন্তের ক্ষেত্রে গুটি বেরুনোর সাত দিন আগে ও শুরু হওয়ার সাত দিন কিছুতেই গুটি বা র্যাশ আঙুল দিয়ে খোঁটা যাবে না। কারণ তা থেকে বের হওয়া রস অন্যকেও সংক্রমিত করতে পারে। অ্যান্টি হিস্টামিন জাতীয় ওষুধ সেবন ও বসন্তের জায়গায় অ্যান্টিসেপটিক লোশন ব্যবহার করা যেতে পারে। দেখা দিচ্ছে টাইফয়েড এবং পেটের পীড়াও।
top

Post #23
Naim376|
Elite User

13/06/2013 22:07:04
(334 weeks ago)
Ratio: 1.33
Posts: 1937
Bangladesh  
তেঁতুল খেলে বুদ্ধি কমে?

আমাদের দেশে একটা কথা প্রচলিত আছে তেঁতুল খেলে বুদ্ধি কমে যায়। আসলেই কি তাই? এবার তাহলে শুনুন আসল কথা, তেঁতুল খেলে বুদ্ধি কমে না বরং বুদ্ধি বাড়ে। তেঁতুলের এসকর্বিক এসিড এসিড খাবার থেকে আয়রন আহরণ, সংরক্ষণ এবং তা বিভিন্ন কোষে পরিবহন করে। যা মস্তিষ্কের জন্য খুব প্রয়োজন। মস্তিষ্কে আয়রনের পর্যাপ্ত সরবরাহ চিন্তা ভাবনার গতি বৃদ্ধি করে। তার মানে কি দাঁড়াল?

অধিকাংশ মানুষের এই ভুল বিশ্বাসের কারণে বাংলাদেশে তেঁতুল গাছের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। অথচ, তেঁতুলগাছের পাতা, ছাল, ফলের শাঁস (কাঁচা ও পাকা), পাকা ফলের খোসা, বীজের খোসা—সবকিছুই উপকরী। এর কচিপাতায় রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণে এমাইনো এসিড। পাতার রসের শরবত সর্দি-কাশি, পাইলস ও প্রস্রাবের জ্বালাপোড়ায় বেশ কাজ দেয়।

তেঁতুল চর্বি কমানোয় বেশ বড় ভূমিকা রাখে। তবে তা দেহের কোষে নয়, রক্তে। এতে কোলস্টেরল ও ট্রাইগ্রাইসেরাইডের মাত্রা এবং রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

দেখা যায়, পুরোনো তেঁতুলের কার্যকারিতা বেশি। যদি পেট ফাঁপার সমস্যা থাকে এবং বদহজম হয়, তাহলে পুরোনো তেঁতুল এক কাপ পানিতে ভিজিয়ে সামান্য লবণ, চিনি বা গুড় দিয়ে খেলে অসুবিধা দূর হয়। আবার হাত-পা জ্বালা করলেও এই শরবতে উপকার পাওয়া যায়।

প্রয়োজনে টমেটোর সসের পরিবর্তে তেঁতুলের সস বা আচার খাওয়া যেতে পারে। যদি তেঁতুলের সঙ্গে রসুনবাটা মেশানো যায়, তাহলে রক্তের চর্বি কমানোর কাজে ভালো ফল দেয়।
top

Post #24
Naim376|
Elite User

13/06/2013 22:07:56
(334 weeks ago)
Ratio: 1.33
Posts: 1937
Bangladesh  
লাউয়ের উপকারী দিকগুলো

- দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- ত্বকের আর্দ্রতা ফিরিয়ে দেয়।
- ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।
- চুলের গোড়া শক্ত করে।
- মূত্র সংক্রমণজনিত সমস্যা দূর করে।
- ডায়রিয়া, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য লাউ যথেষ্ট উপকারী সবজি।
- ডায়রিয়াজনিত পানিশূন্যতা দূর করে।
- ডায়াবেটিকসহ সব রোগীর রক্ত পরিষ্কার রাখে।
- ঘামজনিত লবণের ঘাটতি দূর করে।
- দাঁত ও হাড়কে করে মজবুত।
- কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
- লাউ উচ্চ রক্তচাপবিশিষ্ট রোগীদের জন্য এটি দুশ্চিন্তামুক্ত সবজি।
- নিয়মিত খেলে মাতৃদুগ্ধ বৃদ্ধি পায়।
- খাবার হজমে সাহায্য করে।
- পরিপূর্ণ ঘুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- লাউয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
- এসিডিটি দূর করতেও লাউয়ের জুড়ি নেই।
top

Post #25
Naim376|
Elite User

13/06/2013 22:08:18
(334 weeks ago)
Ratio: 1.33
Posts: 1937
Bangladesh  
ওজন কমানোর ঘরোয়া পদ্ধতি

খুবই সাধারণ ও উপকারী নিচের উপদেশগুলো মেনে চলুন আর ফলাফল নিজেই উপলব্ধি করুন।

১। তাজা ফলমূল ও সবুজ শাকসবজি বেশি করে এগুলো খাওয়া উচিত।
২। অতিরিক্ত লবণ খাওয়া পরিহার করতে হবে।
৩। দুধযুক্ত খাবার, যেমন: পনির, মাখন—এগুলো পরিহার করতে হবে।
৪। উচ্চ শর্করাসমৃদ্ধ খাদ্য, যেমন—চাল, আলু নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় খেতে হবে, আর গম (আটা) খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।
৫। তিক্ত স্বাদযুক্ত সবজি ও করলা খুবই কার্যকর বাড়তি ওজন কমানোর জন্য।
৬। আদা, দারচিনি, কালো মরিচ—এগুলো প্রতিদিনের খাবারে রাখতে হবে।
৭। এক চামচ বা ১০০ গ্রাম, যা হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে এর সঙ্গে এক চামচ লেবুর রস দিয়ে নির্দিষ্ট বিরতিতে প্রতিদিন কয়েকবার খেতে পারেন।
৮। এক চামচ টাটকা মধুর সঙ্গে আধা চামচ কাঁচা লেবুর রস আধা গ্লাস হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে খেতে হবে।
৯। বাঁধাকপি কাঁচা অথবা রান্না করেও খেলেও ওজন কমে।
১০। ব্যায়াম শুরু করতে পারেন হাঁটাচলা করে, যা আস্তে আস্তে দৌড়ানো, সাঁতার কাটা ও অন্যান্য শারীরিক কসরত করে নিয়মিতভাবে চালিয়ে যেতে পারেন।
১১। পরিমাণমতো ভাগ করে প্রতিদিন খাবার খাবেন এবং অবশ্যই যেন প্রতিটি ভাগ অল্প পরিমাণে হয়। প্রতিটি ভাগে যে পরিমাণ ভাত থাকবে, তা যেন কোনোভাবেই এক মুঠের বেশি না হয়।
১২। নিয়মিতভাবে ছোট ছোট ভাগে (চার-পাঁচ ঘণ্টা অন্তর) খাবার খেলে আপনার খাবার পরিপাক ও রাসায়নিক রূপান্তর বাড়বে, যা দেহে চর্বির জমাট বাঁধায় বাধা দেবে।
top

Post #26
Naim376|
Elite User

13/06/2013 22:08:41
(334 weeks ago)
Ratio: 1.33
Posts: 1937
Bangladesh  
প্যারাসিটামল সম্পর্কে কিছু জরুরী তথ্য

ব্যথা নিরাময়ের প্যারাসিটামলের মতো নিরাপদ বেদনানাশক খুব বেশি নেই বলে ওষুধটি আমাদের দেশে বহুল ব্যবহৃত। কিন্তু সতর্কতাও জরুরি। প্যারাসিটামল সম্পর্কে আমাদের জানার পরিধি আরও কিছুটা বাড়ালে সবার উপকার হবে। আসুন জেনে নিই প্যারাসিটামল সম্পর্কে কিছু জরুরী তথ্য।

১. ব্যবহারিক বিচারে বেদনানশক ওষুধ সাধারণভাবে দুই ভাগে বিভক্ত। নারকোটিক বেদনানাশক ওষুধ, যেমন-মরফিন, প্যাথিড্রিন ইত্যাদি। এগুলো মাদকজাতীয় ও আসক্তি তৈরি করে। এ-জাতীয় ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গ্রহণ সম্পূর্ণভাবে নিষেধ। আরেকটি ভাগ হচ্ছে, অ-মাদক বেদনানাশক, যেমন-প্যারাসিটামল, অ্যাসপিরিন ইত্যাদি। এদের মধ্যে প্রদাহবিরোধী, যেমন-আইবুপ্রোফেন ইত্যাদিও ব্যথানাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

২. দৈহিক বা সোমাটিক ব্যথায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে অ-মাদক বেদনানাশক, বিশেষ করে প্যারাসিটামলই ব্যবহৃত হয়। মাথাব্যথা, গলাব্যথা, পেশির ব্যথা, দাঁতের ব্যথা, ঋতুকষ্ট ইত্যাদিতে প্যারাসিটামল খুবই কার্যকর।

৩. জ্বর উপশমেও প্যারাসিটামল একটি ফলপ্রসূ ওষুধ। চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই এটি বিক্রি হয় এবং যে-কেউ কিনতে পারে এবং ওভার কাউন্টার বা ওটিসি হিসেবে পরিচিত।

৪. প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫০০ মিলিগ্রামের ট্যাবলেট একটি, কখনো প্রয়োজনে দুটি। ২৪ ঘণ্টায় তিন-চারবার খাওয়াই নির্দিষ্ট ডোজ। কিন্তু ২৪ ঘণ্টায় চার গ্রাম বা ৪০০০ মিলিগ্রামের বেশি খাওয়া যাবে না।

৫. শিশুদের ক্ষেত্রে বয়স ওজন অনুযায়ী প্যারাসিটামল সিরাপ দিতে হবে। চার গ্রাম হচ্ছে সর্বোচ্চ মাত্রা।

৬. ব্যথা বা জ্বরের জন্য তিন দিন পর্যন্ত প্যারাসিটামল খেতে পারেন। এতে উপকার না পেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

৭. প্যারাসিটামলের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সাধারণত গুরুতর নয়। দু-একটা ক্ষেত্রে রক্তের প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোর অভাব সৃষ্টি বা চামড়ায় ফুস্কুড়ি দেখা গেছে।

৮. উল্লিখিত পরিমাণের চেয়ে বেশি প্যারাসিটামল গ্রহণ করা উচিত নয়। বেশি গ্রহণ করলে কিডনি ও লিভারের ক্ষতির ঝুঁকি থাকে।

৯. অনেকেই ২৪ ঘণ্টায় ১০-১২টি ৫০০ মিলিগ্রামের প্যারাসিটামল খেয়ে থাকে। এটি মোটেও ঠিক নয়। মোট চার গ্রাম হচ্ছে ৫০০ মিলিগ্রামের আটটি ট্যাবলেট, এটি হচ্ছে সর্বোচ্চ নির্ধারিত মাত্রা।

১০. লিভারের সমস্যা থাকলে আরও কম মাত্রা গ্রহণ করতে হবে।
top

Post #27
User[9860] 
unknown

14/06/2013 02:19:02
(334 weeks ago)
Ratio: ---
Posts: 0
unknown  
send
top

Post #28
Naim376|
Elite User

14/06/2013 02:21:29
(334 weeks ago)
Ratio: 1.33
Posts: 1937
Bangladesh  

adorr wrote:
send



ohmy.gif sleep.gif
top

Post #29
User[29409] 
unknown

14/06/2013 05:40:01
(334 weeks ago)
Ratio: ---
Posts: 0
unknown  

adorr wrote:
send




My name is Palash & age 22. I am astudent of university 3rd year .
I want to know  that how i improve my wight?
top

Post #30
Naim376|
Elite User

27/07/2013 10:31:00
(328 weeks ago)
Ratio: 1.33
Posts: 1937
Bangladesh  
মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায় পানি !

ইউনিভার্সিটি অব ইস্ট লন্ডনের বিজ্ঞানীদের সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র এক গ্লাস পানি পান করলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ১৪ শতাংশ বেড়ে যায়। এ গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ৯০ মিনিট টানা ঘামলে মস্তিষ্ক অনেক বেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। তখন ১-২ গ্লাস পানি পান করলেই মস্তিষ্ক স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। বিজ্ঞানীদের মতে, যখন কেউ তৃষ্ণার্ত থাকেন তখন তার মস্তিষ্ক সেটি নিয়েই ভাবতে থাকে। ফলে কাজের ব্যাপারে তিনি অমনোযোগী হয়ে পড়েন। এ প্রসঙ্গে গবেষক ক্যারোলিন অ্যাডমুন্ড বলেন, কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ শুরুর আগে এক গ্লাস পানি পান করুন। তাতে মস্তিষ্ক ভালো কাজ করবে। এছাড়া চা কিংবা কফি পানে সুফল পাওয়া যায় বলেও জানান তিনি।

Last edited by Naim376 at 27/07/2013 10:31:26

top