Health Tips
Post #11
Naim376|
Elite User

12/06/2013 20:02:04
(379 weeks ago)
Ratio: 1.33
Posts: 1937
Bangladesh  
হৃদরোগ প্রতিরোধ করুন !

পুরুষের স্বাস্থ্যের প্রধান ঝুঁকি তবে স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রায় অভ্যস্থ হলে হৃদস্বাস্থ্য অবশ্যই ভালো থাকবে। তাই হৃদরোগ প্রতিরোধ করতে হলে—
- ধূমপান করা যাবে না।
- কেউ ধূমপান যদি করে, তার পাশে থাকা যাবে না।
- তামাক, জর্দা, গুল চিবানো চলবে না।
- প্রচুর শাকসবজি, টাটকা ফল, গোটা শস্যদানা, আঁশ ও মাছ খেতে হবে।
- যেসব খাবারে চর্বি বেশি, নুন বেশি সেসব খাবার বর্জন করা ভালো।
- রক্তে যদি থাকে উঁচুমান কোলেস্টেরল থাকে তাহলে চিকিৎসা নিতে হবে।
- থাকে যদি উচ্চরক্তচাপ তাহলে চিকিৎসা নিতে হবে।
- প্রতিদিন শরীরচর্চা করতে হবে।
- স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে হবে।
- মদ্যপান করে থাকলে বর্জন করতে হবে।
- ডায়াবেটিস যদি থাকে, তাহলে রক্তের সুগার মান বজায় রাখতে হবে।
- মানসিক চাপকে মোকাবিলা করতে হবে।
top

Post #12
smdulu2|| 
Members

13/06/2013 10:25:55
(379 weeks ago)
Ratio: 0.28
Posts: 1
Bangladesh  
thanks
top

Post #13
Naim376|
Elite User

13/06/2013 21:45:29
(379 weeks ago)
Ratio: 1.33
Posts: 1937
Bangladesh  

smdulu2 wrote:
thanks



Welcome Bro.
top

Post #14
Naim376|
Elite User

13/06/2013 22:01:34
(379 weeks ago)
Ratio: 1.33
Posts: 1937
Bangladesh  
সময়মতো শিশুকে টিকা দিন !

৬ সপ্তাহ বয়সেঃ ডিপিটি, হেপাটাইটিস-বি, হিব (ক্ষেত্রবিশেষে)-প্রথম ডোজ
১০ সপ্তাহ বয়সেঃ ডিপিটি, হেপাটাইটিস-বি, হিব (ক্ষেত্রবিশেষে)-দ্বিতীয় ডোজ
১৪ সপ্তাহ বয়সেঃ ডিপিটি, হেপাটাইটিস-বি, হিব (ক্ষেত্রবিশেষে)-তৃতীয় ডোজ
৯ মাস বয়সেঃ হাম।

বিসিজি হচ্ছে যক্ষ্মার টিকা, ডিপিটি ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও ধনুষ্টঙ্কারের টিকা, হেপাটাইটিস-বি এক ধরনের জন্ডিসের টিকা এবং হিব (এইচআইবি) হলো এক ধরনের নিউমোনিয়া বা মেনিনজাইটিসের টিকা। পর্যায়ক্রমে সরকারি ব্যবস্থাপনায় এসব টিকা বিনামূল্যে নেওয়া যায়।

শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের চেম্বারে এবং কিছু বেসরকারি টিকাদান কেন্দ্রে নগদ অর্থের বিনিময়ে দেওয়া যায়। ছয় সপ্তাহ বয়সে শিশুকে দেওয়া যায় রোটারিক্স নামের রোটা ভাইরাসজনিত ডায়রিয়ার টিকা। এটি চার সপ্তাহ পর পর দুইবার খাওয়াতে হয়।

শিশুর এক বছর বয়স পার হওয়ার পরপরই দেওয়া যায় জলবসন্তের টিকা। একই সময়ে দেওয়া যায় হেপাটাইটিস-এ ভাইরাসের টিকা, যা ছয় মাস পর আবার দিতে হয়। হামের টিকা আগে দেওয়া না থাকলে এ সময় দেওয়া যায় এমএমআর টিকা। এটি মামস, হাম ও জার্মান হামের প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। মেয়েদের জন্য এ টিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গর্ভাবস্থায় জার্মান হাম হলে তা নবজাতকের বিকলাঙ্গতার কারণ হতে পারে।

আগে হামের টিকা দেওয়া থাকলে এমএমআর একটু পরে অর্থাৎ ১৫ থেকে ১৮ মাসের সময় দিতে হবে। ১১-১২ বছর পর টিকাটি পুনরায় দিতে হবে। দুই বছর পূর্ণ হলে আরও কয়েকটি টিকা দেওয়ার সময় হয়। টাইফয়েডের টিকা এ সময় দেওয়া যায়। তিন বছর পরপর এটি পুনরায় দিতে হয়।

নিউমোকক্কাসের প্রতিরোধী টিকাও এ সময় দিতে হয়। মেনিঙ্গোকক্কাস প্রতিরোধী মেনিনজাইটিসের টিকাও এ বয়সে দিতে হয়। ডুকোরাল নামে রয়েছে কলেরা ও আরও কিছু প্রতিরোধক টিকা। দুই থেকে ছয় বছর বয়স পর্যন্ত এটা দিতে হয় তিন ডোজ। ছয় বছরের বেশি হয়ে গেলে দুই ডোজ এক মাস অন্তর দিতে হয়।
top

Post #15
Naim376|
Elite User

13/06/2013 22:02:23
(379 weeks ago)
Ratio: 1.33
Posts: 1937
Bangladesh  
হাত মেলাতে সতর্কতা

হাত মিলিয়ে কুশল জিজ্ঞাসা আমাদের নিত্যদিনের ব্যাপর। তবে এই বর্ষায় একটু সাবধান। কারণ অনেকেরই চোখ উঠেছে। হাতে হাতে ছড়িয়ে যাওয়া ভাইরাস আপনারও চোখ উঠিয়ে দিতে পারে।

ছোট বেলায় বন্ধুরা যখন বলতো চোখ উঠেছে, মজা করে বলতাম কোথায় উঠেছে? গাছে না ছাদে? তবে আমি নিজে আক্রান্ত হয়ে বুঝেছিলাম যে চোখ কোথায় ওঠে। চোখওঠা বা কনজাংকটিভাইটিস রোগের অভিজ্ঞতা হয়নি এমন লোকই খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে। চোখ লাল হয়ে যাওয়া, চোখ জ্বালা, চোখে বালুর মতো কিছু পড়েছে বলে মনে হওয়া, চোখ দিয়ে পানি পড়া, চোখের কোণে পিঁচুটি জমা, চোখে চুলকানি, চোখের পাতা ফুলে যাওয়া, আলোর দিকে তাকাতে সমস্যা হওয়া, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া—এসবই চোখ ওঠা বা কনজাংকটিভাইটিস রোগের লক্ষণ। এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ। মূলত ‘এডেনো ভাইরাস’ এর জন্য দায়ী। সাধারণত একই সঙ্গে দুই চোখই আক্রান্ত হয়, তবে কোনো কোনো সময় এক চোখ অন্য চোখের চেয়ে একটু আগে অসুস্থ হয় এবং ১-২ দিনের মধ্যেই অন্য চোখে রোগ ছড়িয়ে পড়ে।

চোখ ওঠা সাধারণত সাতদিনের মধ্যেই ভাল হয়ে যায়। চিকিৎসক কখনো কখনো এ জাতীয় চোখ ওঠার জন্য এন্টিবায়োটিক ড্রপ দিয়ে থাকেন। চোখ উঠলে গরম পানির সেঁক দিলে আরাম পাওয়া যায়। চোখ ওঠার সাথে সাথে অনেকেই চিকিৎসকের কাছে যেতে চান না । কিন্তু সাতদিনের মধ্যে চোখ ওঠা না গেলে অবশ্য চোখের ডাক্তারের কাছে যেতে হবে । এ ছাড়া চোখে ওঠার পর স্টেরয়েড জাতীয় কোনো ওষুধ চোখে দেয়া যাবে না । তাতে মারাত্মক কুফল দেখা দিতে পারে। চোখ উঠলে কেউ কেউ শামুকের পানিসহ নানা ধরণের টোটকা চিকিৎসা করেন। এ জাতীয় চিকিৎষা থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। না হলে অন্ধ হওয়ার আশংকা সহ নানা ধরণের মারাত্মক উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

চোখ উঠলে করণীয়:
- বেশ ছোঁয়াচে রোগ বিধায় রোগীকে এ ব্যাপারে বেশি সচেতন হতে হবে।
- এদিক-সেদিক বেশি ঘোরাঘুরি না করাই ভালো।
- পরিষ্কার কাপড় অথবা টিস্যু দিয়ে চোখের কোণে জমে থাকা পিঁচুটি পরিষ্কার করতে হবে। যতটা সম্ভব ওই কাপড় ঘন ঘন গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ব্যবহার করা ভালো।
- অন্য চোখেও এ রোগের আক্রমণ ঠেকাতে যতটা সম্ভব ভালো চোখে হাত না দেওয়াটা মঙ্গলজনক। তবে সাধারণত এ রোগে এক সঙ্গে অথবা পর্যায়ক্রমে দুই চোখই আক্রান্ত হয়।
- রাতে ঘুম থেকে ওঠার পর ব্যবহার্য জিনিসপত্র; যেমন- বালিশের কভার, তোয়ালে, স্লিপিং স্যুট ইত্যাদি গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলা উত্তম।
- চোখে কালো চশমা পরা উচিত। এতে আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা কমে আসে।
- ডাক্তারের পরামর্শে চোখ পরীক্ষা করিয়ে চোখে ওষুধ দেওয়া ভালো।
top

Post #16
Naim376|
Elite User

13/06/2013 22:02:49
(379 weeks ago)
Ratio: 1.33
Posts: 1937
Bangladesh  
হাঁপানির সঙ্গে এলার্জির গভীর সংযোগ আছে। ফুলের পরাগ, দূষিত বাতাস, ধোঁয়া, কাঁচা রংয়ের গন্ধ, চুনকাম, ঘরের ধূলো, পুরানো ফাইলের ধূলো দেহে এলার্জিক বিক্রিয়া করে হাঁপানি রোগের সৃষ্টি করে। কাজেই যারা হাপানিতে ভুগছেন তাদেরকে এগুলি পরিত্যাগ করে চলতে হবে।

হাঁপানিজনিত এলার্জিক সমস্যায় ভোগেন তারা ঘরের ধূলো সবসময় এড়িয়ে চলবেন। ঘরের আসবাবপত্র, কম্বল, পর্দা, তোষক, বালিশ, প্রভৃতিতে যে ধূলো জমে থাকে তা পরিষ্কার করার সময় দূরে সরে থাকতে হবে।

গরুর দুধে বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে গায়ে চুলকানি, হাঁপানি ইত্যাদি হতে দেখা যায়। এছাড়া গমে ডিমে, মাছে এলার্জি হতে দেখা যায়। বাদাম, কলা, আপেল, আঙ্গুর, ব্যাঙের ছাতা, তরমুজ, পেঁয়াজ, বসুন, চকোলেট, এমনকি ঠান্ডা পানীয় কোনো কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে এলার্জি সৃষ্টি করে।

পতঙ্গের কামড়ে গায়ে চুলকানি, স্থানটি ফুলে যাওয়া এমকি হাঁপানি পর্যন্তও হতে দেখা যায়। মশা, বেলেমাছি, মৌমাছি, বোলতা, ভীমরুল, প্রভৃতি, পতঙ্গের কামড়ে দেহে এলার্জির সৃষ্টি হয়।
top

Post #17
Naim376|
Elite User

13/06/2013 22:03:53
(379 weeks ago)
Ratio: 1.33
Posts: 1937
Bangladesh  
ঘামে দুর্গন্ধদূর করুন

গরমের দিনে সবচেয়ে অস্বস্তিকর ব্যাপার হচ্ছে ঘাম এবং ঘামের দুর্গন্ধ। আসুন জেনে নিই ঘামের দুর্গন্ধ দূর করবেন কিভাবে।

১. প্রতিদিন অন্তত দু’বার গোসল করুন।
২. অবাঞ্ছিত লোম ও চুলের জন্য ঘামের দুর্গন্ধ বেশি হতে পারে। তাই অবাঞ্ছিত লোম ও চুল উঠিয়ে ফেলবেন।
৩. প্রতিদিন পরিষ্কার ধোয়া কাপড় পরবেন।
৪. প্রতিদিন দুইবার ডিওডেরান্ট লাগাবেন।
৫. খুব বেশি ঘামলে অ্যান্টিপারসিপিরেন্ট লাগাবেন এক দিন অন্তর। অ্যান্টিপারসিপিরেন্ট ২৫ থেকে ৩৫ ভাগ ঘাম নিঃসরণ কমায়।
top

Post #18
Naim376|
Elite User

13/06/2013 22:04:35
(379 weeks ago)
Ratio: 1.33
Posts: 1937
Bangladesh  
১০টি ঘরোয়া টিপস

১. মাথাব্যথা হলে প্রচুর মাছ খান। মাছের তেল মাথাব্যথা প্রতিরোধে দারুণ কার্যকর। খেতে পারেন আদা। প্রদাহ এবং ব্যথা নিরাময়ে তা বিশেষভাবে কার্যকর।

২. জ্বর হলে খেতে পারেন ইয়োগার্ট। মধুও খেতে পারেন।

৩. স্ট্রোক প্রতিরোধ চা খান। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে নিয়মিত চা খেলে ধমনীর গাত্রে ফ্যাট জমতে পারে না। ফলে ঝুঁকি কমে আসে অনেকখানি।

৪. অনিদ্রার সমস্যায় মধু কার্যকর।

৫. হাঁপানিতে পেঁয়াজ খান। শ্বাসনালীর সংকোচন রোধে তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

৬. পেটের পীড়ায় খেতে পারেন কলা, আদা। আদা মর্নিং সিকনেস এবং বমি বমিভাব দূর করে।

৭. ঠান্ডা লাগলে রসুন খান।

৮. স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে গমজাত খাদ্য, বাঁধাকপি কার্যকর।

৯. আলসারের সমস্যায় বাঁধাকপি বিশেষভাবে উপযোগী। এতে থাকা খাদ্যোপাদান গ্যাস্ট্রিক এবং ডিওডেনাল আলসার হিল করতে সাহায্য করে।

১০. নানাগুণের অধিকারী মধু। অসাড়তা, গলাব্যথা, মানসিক চাপ, রক্তস্বল্পতা, অস্টিওপোরেসিস, মাইগ্রেনসহ নানা শারীরিক সমস্যায় মধু বিশেষভাবে কার্যকর।
top

Post #19
Naim376|
Elite User

13/06/2013 22:05:08
(379 weeks ago)
Ratio: 1.33
Posts: 1937
Bangladesh  
মানব দেহের অজানা কিছু মজার তথ্য

১. একজন স্বাভাবিক স্বাস্থ্যবান মানুষ ২৪ ঘন্টায় যা যা করে:

(ক) ২৩,০৪০ বার শ্বাস প্রশ্বাস নেয়।
(খ) ৭,৫০০ লিটার রক্ত পাম্প করে।
(গ) প্রতিরাতে গড়ে ১-১.৫ মিনিট স্বপ্ন দেখে।
(ঘ) হৃৎপিণ্ড ১,৩০,৬৮০ বার স্পন্দিত হয়।
(ঙ) গড়ে প্রায় ৪,৮০০ টি কথা বলে।
(চ) ১ সের ২ ছটাক পানি পান করে।
(ছ) মাথার মগজের ৭০ লক্ষ কোষ কোনো না কোনো কাজ করে।
(জ) মাথার চুল ০.০১৭১৪ ইঞ্চি বাড়ে।
(ঝ) সকালের তুলনায় সন্ধ্যায় উচ্চতা ১ সে.মি. হ্রাস পায়।

২. মানব শরীরে ৭০% পানি ও ১৮% র্কাবন রয়েছে।

৩. একজন মানুষরে হৃৎপিণ্ড তার মুষ্টবিদ্ধ হাতের সমান।

৪. হৃৎপিণ্ড যেমনটা ভাবা হয় বুকের বামদিকে আসলে তা নয়। এটা
মাঝখানেই তবে বামদিকে এক-তৃতীয়াংশ প্রসারিত।

৫. মানুষের শরীরে গিরার পরিমাণ ১০০ টি।

৬. চোখের একটা পলক ফেলতে ০.৪ সেকেন্ড সময় লাগে।

৭. মাথায় প্রতিদিন প্রায় ১০০টি চুল গজায়।

৮. সুস্থ্ দেহে রক্তের গতিবেগ ঘন্টায় ৭ মাইল।

৯. একজন মানুষের গড় ক্ষমতা ০.১৪৩ অশ্ব ক্ষমতা।

১০. স্বাভাবিক জীবন বেঁচে থাকলে মানুষ সাধারণত ২,৫০,০০,০০০ বার কাঁদে।

১১. মেয়েদের চেয়ে ছেলেদের নখ দ্রুত বাড়ে।

১২. একজন মানুষের সারা জীবনের হাতের আঙ্গুলের নখের বৃদ্ধিপ্রাপ্ত মোট দৈর্ঘ্যগড়
হিসেবে ২৮ মিটার।

১৩. জন্মের প্রথম বছরে একটি মানবশিশুর মুখ থেকে প্রায় ১৪৬ লিটারের সমপরিমাণ লালা নিঃসৃত করে।

১৪. জন্মের প্রথম দুই বছরে একটি মানব শিশু হামাগুড়ি দিয়ে প্রায় ১৫০ কি.মি. দূরত্ব অতিক্রম করে।

১৫. একজন মানুষ প্রতিদিন ৬ ঘন্টা ঘুমালে সে যদি ৫০ বছর বাঁচে তবে তার জীবনের ১২.৫ বছর ঘুমের মধ্যে কাটে।
top

Post #20
Naim376|
Elite User

13/06/2013 22:05:35
(379 weeks ago)
Ratio: 1.33
Posts: 1937
Bangladesh  
ব্রণ সমস্যা সমাধানের টিপস

১. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে মুখমন্ডল নিয়মিত পরিষ্কার রাখা। দিনে অন্তত দু’বার ‘ফেসওয়াস’ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন বিশেষ করে বাইরের ধুলোবালি থেকে আসার পর ও ঘুমাতে যাবার আগে।

২. যাদের মুখমন্ডল তৈলাক্ত তারা তৈলবিহীন প্রসাধন সামগ্রী ও লোশন ব্যবহার করুন।

৩. মুখমন্ডলে ব্রণ হলে তাতে খোঁচাখুঁচি করা, চাপ দেয়া ও চিমটি কাটা থেকে বিরত থাকুন কারণ এতে ইনফেকশন হয়ে স্থায়ী দাগ পড়ে যেতে পারে।

৪. ভিটামিন ও আঁশজাতীয় শাকসবজি প্রচুর পরিমাণে খাবারের তালিকায় রাখতে হবে।

৫. অধিক লবণাক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

৬. অতিরিক্ত সূর্যালোকে চলাফেরা করার সময় ছাতা বা সানস্ক্রীন ব্যবহার করুন।

৭. যারা শো-বিজে আছেন, তাঁরা বাড়ি ফিরে মুখের মেকআপ ভাল করে তুলে ফেলুন।

৮. মানসিক চাপ পরিহার করুন। চিন্তামুক্ত ও ফুরফুরে জীবনযাপন করুন।

৯. দৈনিক কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে এতে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি দূর হবে।
১০. চর্বি ও চিনিযুক্ত খাবার কম খান।

১১. দৈনিক কমপক্ষে ৮ গ্লাস পানি পান করতে হবে। পানি দেহ থেকে বর্জ্য পদার্থ নিঃসরণে সাহায্য করে। এরপরও যদি ব্রণের প্রকোপ দেখা দেয় তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
top